মধু খাঁটি কিনা মধু কেনার আগে সবার আগে এই প্রশ্নটাই আসে! কিন্তু আমরা কি জানি খাঁটি মধু কোনটি? আর এটি কিভাবে চিহ্নিত করতে হয়?
পোলেন পরীক্ষাঃ মধু খাঁটি কিনা সেটি চিহ্নিত করার সর্বোৎকৃষ্ট পরীক্ষা হলো পোলেন পরীক্ষা। পোলেন অতি আণুবীক্ষণিক তাই এক বিন্দু মধুকে কাঁচের স্লাইডে নিয়ে তা মাইক্রোস্কোপে পর্যবেক্ষণ করে নিশ্চিত হতে হয় মধুতে পোলেন আছে কি নেই? মধুতে যদি স্পষ্ট ও যথেষ্ট পোলেন থাকে তবে সেটি বৈজ্ঞানিক উপায়ে নিশ্চিত হওয়া যায় এটি খাঁটি মধু। এখানে পোলেন হলো ফুলের রেণু যা দ্বারা উদ্ভিদ বংশবিস্তার করে। মৌমাছি মধু নেয়ার সময় শরীরে রেণু লেগে যায় যা মধুতেও মিশ্রীত হয়। যেহেতু কৃত্রিম ভাবে পোলেন তৈরি করা সম্ভব নয় এবং এটি অতি আণুবীক্ষণিক তাই অণুবীক্ষণ যন্ত্র বা মাইক্রোস্পোপে মধুতে যথেষ্ট রেণু থাকলেই নিশ্চিত হওয়া যায় মধুটি খাঁটি কি না।
ময়েশ্চার পরীক্ষাঃ মাইক্রোস্কোপ বা অণুবীক্ষণ যন্ত্রে শুধু পোলেনের উপস্থিতিকেই খাঁটি মধুর মাপকাঠিতে রাখা ঠিক নয়। এর সঙ্গে মধুতে কি পরিমাণ পানি রয়েছে তা পরিমাপ করেতে হয়। মধুকে চারটি স্থরে ভাগ করা যায়। মধুতে যদি শতকারা ১৮/২০% পানি থাকে তবে সেটি A গ্রেডের মধু, মধুতে যদি ২০/২২% পানি থাকে তবে সেটি B গ্রেডের মধু, মধুতে যদি ২২/২৫% পানি থাকে তবে সেটি C গ্রেডের মধু আর মধুতে যদি পানির পনিমাণ ২৬/২৭% হয়ে থাকে তবে সেটি D গ্রেডের মধু। ২৭% এর উপরে পানি থাকলে সেটিকে অ্যাপিকালচারে মধু না ধরে নেক্টার ধরা হয়। নেক্টার হলো পুষ্পরোস যা মৌমাছির পাকস্থলি ও বিসেলে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মধুতে রূপান্তরিত হয়।
মধুর ময়েশ্চার মাপার যন্ত্রের নাম রিফ্রেক্টমিটার।
এ দুটো পরীক্ষায় মানসম্মত খাঁটি মধু চিহ্নিত করা যায়।
MBF Honey- খাঁটি মধু উৎপাদন ও তা বিপণণে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। আপনার প্রয়োজনেঃ 01738832141